২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার : দুই ভাইয়ের জবানবন্দি

অবৈ'ধভাবে অর্জিত দুই হাজার কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচাররের অ'ভিযোগে ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যা'হতিপ্রা'প্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের অব্যা'হতিপ্রা'প্ত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেল আ'দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব'ন্দি দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তারের আ'দালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধা'রায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানব'ন্দি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (২৫ জুলাই) কাফরুল থানার আ'দালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মক'র্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক বি'ষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুই দফা পাঁচ দিনের রি'মান্ড শেষে শুক্রবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আ'দালতে হাজির করেন মা'মলার ত'দন্তকারী কর্মক'র্তা সিআইডি এএসপি উত্তম কুমা'র। তারা স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে জবানব'ন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ডের আবেদন করেন তিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার জবানব'ন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারা'গারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ২৬ জুন পুলিশের অ’পরাধ ত'দন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক এসএম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে রাজধানীর কাফরুল থানায় মা'মলাটি করেন। মা'মলায় দুই ভাইয়ের বিরু'দ্ধে দুই হাজার কোটি টাকার সম্পদ অবৈ'ধ উপায়ে উপার্জন ও পাচারের অ'ভিযোগ আনা হয়। ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন সংশোধনী ২০১৫-এর ৪(২) ধা'রায় এ মা'মলাটি করা হয়।

মা'মলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈ'ধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল। এছাড়া মা'দক কারবারি এবং ভূমি দখল করে অবৈ'ধ সম্পদ করেছেন তারা। এসি ও নন-এসিসহ ২৩টি বাস, ড্রাম ট্রাক, বোল্ডার ও পাজেরো গাড়ির মালিক হয়েছেন। সেই স'ঙ্গে দুই হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেন তারা।

মা'মলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রথম জীবনে দুই ভাই রাজবাড়ীর এক বিএনপি নেতার স'ঙ্গী ছিলেন। তখন তাদের সম্পদ বলতে কিছুই ছিল না। ১৯৯৪ সালের ২০ নভেম্বর ওই এলাকায় এক আইনজীবী খু'ন হন। ওই হ'ত্যা মা'মলার আ'সামি ছিলেন বরকত ও রুবেল।

Facebook Comments

Related Articles

Back to top button