নিষ্পা’প শিশুটির পাষ’ণ্ড পিতাকে গ্রেফ’তারে সহায়তা করুন

র‍্যাব', পুলিশ এবং আমা'দের মিডিয়া যখন যুবলীগের জুয়ার কারখানা নিয়ে ব্যস্ত, তখন আমি আপনাদের সবার আরজেন্ট সাহায্যে চেয়ে এই পোস্ট করছি। ছবির এই নিষ্পাপ বাচ্চাকে অমানবিকভাবে পি'টিয়েছে তারই জন্ম'দাতা পিতা আল তারেক। ছেলেটার মা শাওন রোমালিয়া তার স্বামীর কাছে থেকে আলাদা প্রায় তের বছর আগে থেকে।

গত দুই বছর আগে মায়ের কাছে থেকে বাচ্চাটিকে তার পাষণ্ড পিতা প্রায় জোর করেই নিয়ে গেছে। কারণে-অকারণে সে তার শিশু সন্তানকে পিটাতো প্রায়শই। গত পরশুদিনও এভাবে পি'টিয়ে র'ক্তাক্ত করেছে। ঘটনা শুনে ছেলের মা তার সন্তানকে উদ্বার করে একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা করেছে। কিন্তু শিশুটির বাবা আমেরিকার ইমিগ্র‍্যান্ট এবং অনেক প্রভাবশালী। তাই ভয়ে ছেলেটার অসহায় মা হাসপাতালে রেখে ছেলের চিকিৎসাও করাতে পারছেন না। উল্টো প্রাণ ভয়ে ছেলেকে এক বাসায় রেখে তিনিও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায়।

প্রায় একশত ক্রা'ইম রিপোরটারদের কাছে ছবি, ভিডিও এবং প্রয়োজনীয় ফোন নাম্বার দিয়েছি। আমা'র খুব প্রিয় ডিএমপির একজন খুবই সিনিয়র অফিসারকেও ঘটনা জানিয়েছি আমি। উনি সাথে সাথেই খিলক্ষেত থানার ওসি সাহেবের সাথে কথা বলেছেন এবং তাকে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। কিন্তু ওসি সাহেব দাবি করছেন যে, মা'মলা না হলে আ'সামিকে গ্রে'ফতার করা যাব'ে না।

কারণ আ'সামি নাকি আমেরিকার নাগরিক। কিন্তু এতো রাতে ছেলেটার মা খিলক্ষেত থানায় গিয়ে মা'মলা দায়ের করার সাহসও পাচ্ছেন না। কারণ তাকে সাহায্য করার মতো কোন পুরুষ মানুষ নেই। উনি চাইছেন পুলিশের একটি টিম এসে তার কাছে থেকে লিখিত অ'ভিযোগ নিয়ে যাক, অথবা পুলিশ প্রহরায় থাকে খিলক্ষেত থানায় নিয়ে যাক এবং মা'মলা দায়ের করার পরে বাসায় নিরাপ'দে রেখে যাক।

এ ক্ষেত্রে আমা'দের টিভি সাংবাদিক যারা রাতের ডিউটিতে আছেন, তারা কি কোন হেল্প করতে পারবেন প্লিজ? শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করেন, এমন কেউ আছেন? অথবা আমা'র মতো নিজের খেয়ে বনের মহিষ তাড়ানো কেউ আছেন শিশুটি এবং তার মায়ের পাশে দাড়ানোর জন্য, প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ। অ'ভিযুক্ত তারেকের আমেরিকার ভিসা এবং টিকেট করা। তাই যে কোন মূহুর্তে পালিয়ে যেতে পারেন। অ'ভিযুক্ত পাষাণ্ড বাবার নাম আল তারেক, খিলক্ষেত থানার আমতলাতে থাকেন। গ্রে'ফতারে সহয়তার জন্য তার ছবিও দিলাম।
লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

Facebook Comments

Related Articles

Back to top button